আল্লাহর ইবাদত আমাদের কাছে কী দাবী করে? আমরা আল্লাহর আদেশ মানবো কোনও অলসতা ছাড়া। ঝগড়া ছাড়া। দ্বিধা ছা
গুনাহের সাগরে ডুবে হাবুডুবু খাচ্ছি? কোনও চিন্তা নেই! মাত্র এক মিনিটেই সমাধান! বিফলে মূল্য ফেরত! এটা
দুর্বলদের দিয়ে কখনো কিছু হয়েছে? সবল আর তৎপর লোকেরাই কাজের। তারাই সমাজের চালিকাশক্তি। তাদের হাত ধরেই
কুরআন কারীম মুমিনের জন্যে রক্ষাকবচ! ভ্রান্তি ও বিচ্যুতি থেকে রক্ষা করে: নিশ্চয়ই এই কুরআন সর্বাধিক সর
আতা মানে দান। দান করা সুন্নাত। নিজেও সুখী অন্যেও সুখী। এর চেয়ে সুন্দর আদর্শ আর কিছু হতে পারে! দান কর
মাত্র বারো রাকাত পড়লেই জান্নাত। মেগা অফার। আগে এলে আগে পাবেন নয়, এলেই হবে। জান্নাত প্রস্তুত: -আমি নব
বাঙালির আড্ডা দিতে বসলে আর হুঁশ থাকে! কতো রাজা উযীর যে মরে, তার ইয়ত্তা নেই। আর চা দোকানে বসলে? তাহলে
এখন রাতজাগা স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। দেরী করে ঘুমুনো, দেরী করে ওঠা সামাজিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। যা
আমরা পানি খরচের ব্যাপার সতর্ক থাকি না। ইচ্ছামতো পানির কল ছেড়ে দিয়ে কথা বলি। মিসওয়াক করি। অন্য কাজ কর
উম্মতই ছিল নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সার্বক্ষণিক ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু। কিসে আমাদের
কিছু আমল আছে, রাব্বে কারীম খুউব পছন্দ করেন। আম্বিয়ায়ে কেরাম পছন্দ করেন। আল্লাহর প্রিয় বান্দাগন পছন্দ
বর্তমানে চারপাশে পূণ্যের চেয়ে পাপের উপকরণ বেশি। ইচ্ছায় অনিচ্ছায় গুনাহ হয়েই যায়। গুনাহ থেকে বেঁচে থাক
সারাদিনে কত কিছুই খাই। পান করি। তারপরও শরীরে শক্তি পাই না। শরীর দুর্বল দুর্বল লাগে। কাজেকর্মে উৎসাাহ
জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে আমরা এখানে সেখানে যাই। যানবাহনে চড়ি। কাছের গন্তব্যে যাই। দূরে কোথাও যাই। সাই
বর্তমানে মানুষ মনের শান্তির জন্যে কত কিছু করে। ধ্যান করে। মেডিটেশন করে। যোগসাধনা করে। নিজের নিরাপত্ত
চারপাশে প্রিয় মানুষের উপস্থিতি থাকলে, নিশ্চিন্তে কাজ করা যায়। ঘরে-বাইরে সব জায়গায় পরিবেশটা অনুকূল হল
সমাজে ভালোবাসা ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে দেয়ার সহজতম পন্থা কী? এক কথায় সালামের প্রসার ঘটানো। নবীসি সা. বলেছে
যাহ, কেউ এত টাকা সাদাকা করতে পারে? কেন পারবে না? হিম্মত থাকলে ‘ট্রিলিয়ন’ ফ্রিলিয়ন কিছুই না। আর সত্যি
এক: কিছু পেতে সবারই ভাল লাগে। আবার কিছু দিতেও ভাল লাগে। এই দেয়া-নেয়ার পালাটাকেই যদি সুন্নাতের মোড়কে
এক: অল্প কয়েক শব্দ। অথচ কী শক্তি শব্দগুলোর! জান্নাতের আটটা দরজাই খুলে দিবে। এবার যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা,